1. admin@odhikarkantho.com : admin :
দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখলেই অপসাংবাদিকতার প্রশ্ন ওঠে! - odhikarkantho
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন

দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখলেই অপসাংবাদিকতার প্রশ্ন ওঠে!

রকিয়ত উল্লাহ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দুর্নীতিবাজ, দালাল, পাহাড় খেকো মাদক, সন্ত্রাস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখলেই অপসাংবাদিকতার প্রশ্ন ওঠে! অপকর্ম ঢাকার জন্য তাদের নিজস্ব কিছু চামচা লেলিয়ে দিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে যাত্রা থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, অপসাংবাদিকতার তকমা দেওয়ার চেষ্টা করে । কখন তাদের অপকর্মের মুখোশ জনসম্মুখে চলে আসে তা নিয়ে ভয়ে থাকে। তার জন্য নানা ধরনের হয়রানি করার চেষ্টা করে! এসবে যখন পেরিয়ে ওঠে না তখন পারিবারিক ভাবে অন্যান্য সদস্যের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

এমনই এক ঘটনার শিকার হলাম দুদক’র হাতে গ্রেফতার কালারমার ছড়ার তহশিলদার জয়নাল হাতে। তার বিরুদ্ধে যখন লিখতে শুরু করি তখন স্থানীয় তার এক দোসর দিয়ে কিনতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর আমার পরিবারে জমি সংক্রান্ত কোথায় কি আছে তা নিয়ে হুমকি দিতে শুরু করে। তারপরেও তার কথায় কাজ না হওয়ায় আমাদের একটি খতিয়ান বাতিল করার চেষ্টা করে।

অন্যদিকে উপজেলার একটি বাড়ি একটি খামার (বর্তমানে আমার বাড়ি আমার খামার) ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কুতুবজোমে দায়িত্বরত এক কর্মচারীর অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখি তখন তার অফিসের কর্মকর্তা সহ কালারমার ছড়ার উত্তর নলবিয়া তাদের নিয়মিত সদস্য থাকার পরও আমার সদস্য নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মৌখিক স্থগিত করে সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে।

তারপরেও পিছপা হইনি। এরপরে ছোট মহেশখালী পাহাড়খেকো রিয়ান সিকদারের বিরুদ্ধে পাহাড় কাটা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখি তখন তিনি আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আমার মা বোন নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তার বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় নিরাপত্তা চেয়ে একটি জিডিও করি তা এখন মামলার পক্রিয়াধীন।

অবশেষে সেই পাহাড়খেকো রিয়ান সিকদারকে পাহাড়ের মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সহ তার একাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন।

অন্যদিকে, হোয়ানক ও বড় মহেশখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সোচ্চার হলাম তখন বড় মহেশখালীর এক মাদক কারবারী কৌশলে হুমকি দেয় পরে তারা মাদক ও ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়। যখন ইউনিয়ন পরিষদের জন্মনিবন্ধন হয়রানিতে অতিষ্ঠ সাধারন জনগন তখন অনিয়মের বিরুদ্ধে রিপোর্ট লিখি তখন অপসাংবাদিকতার তকমা দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে কিছু চামচা দালাল। পরে আবার তারাই স্বীকার করে জনগণের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানাই। যখন মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিভিন্ন কোম্পানির সিন্ডিকেট ভিত্তিক অসাধু কর্মকর্তা ও দালালদের বিরুদ্ধে লিখি তখন একপক্ষ খুবই খুশি হয় অন্য পক্ষ বেজাড় হয় তাদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে যাওয়ায়।

তদরুপ মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের পস্কোর মেটারিয়াল কন্ট্রোলার গুপ্তদাসের বিরুদ্ধে লিখি তখন অনেকেই আমাকে আইসিটি আইনের ভয় দেখিয়ে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে দুর্নীতির দায়ে গুপ্তদাসের চাকুরি যায়।

আর কয়টি ঘটনার কথা-ই উল্লেখ করবো??? তবে একটি কথা বলতে চাই পেশাদার সাংবাদিকেরা কখনো কারও তাবেদারী করে না। তাদের পথকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করে সহযোগিতা করুন দেশ ও জাতীর কল্যাণে। শুভ কামনা আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি। অশেষ কৃতজ্ঞ আমাকে সবসময় পাশে থেকে অভিভাবকের মতো সাহস ও সহযোগিতা করার জন্য এবং সবসময় আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।

লেখক- রকিয়ত উল্লাহ (বিবিএ অনার্স, এমবিএ) এলএলবি মহেশখালী প্রতিনিধি- দৈনিক সকালের সময়, দৈনিক বাঁকখালী ও মহেশখালীর সব খবর

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020-2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD