1. admin@odhikarkantho.com : admin :
ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধা সলেমা’র ভাগ্যে জোটেনি সরকারী ঘর - odhikarkantho
বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ১০:৩৮ অপরাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধা সলেমা’র ভাগ্যে জোটেনি সরকারী ঘর

সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ১৮০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

যাদের জমি ও ঘর নেই তাদের জন্য আশ্রয়ণ ও গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ’ কাজ দেশব্যাপী চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় সরকার থেকে তৈরি করে দেওয়া ঘরে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছে দেশের ভূমিহীন পরিবারগুলো।
এরই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় চলমান রয়েছে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ সহনীয় ঘর প্রকল্পের আওতায় ঘর নির্মাণ কার্যক্রম। এরই মধ্যে হরিপুর উপজেলায় ৯৩৬টি ভূমিহীন পরিবার এসব সরকারি ঘর পেয়ে আত্মহারা।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের একটি ঘর ভাগ্যে জোটেনি স্বামীহারা ৮৪ বছরের বৃদ্ধা সলেমা বেগমের। ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বহরমপুর ঝাঝাংপাড়া গ্রামে বসবার করে পেশায় ভিক্ষুক সলেমা বেগম। ৭ বছর আগেই মারা যায় স্বামী আলী বকস্। সলেমা বেগম ও আলী বকস্ এর সংসারজীবনে রয়েছে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে।
কোন ছেলে মেয়ে তার ভোরণ-পোষণ করে না। তিনি এই বৃদ্ধ বয়সে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন নির্বাহ করে।
এলাকাবাসী জানান, ভূমিহীন সলেমা বেগম ও আলী বকস্ দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমিতে ঘর করে বসবাস করে। স্বামীর মৃত্যুর পর সেলিম (৪০) নামে তার বড় ছেলে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ৪ শতক জমি ক্রয় করেন। ছেলের জমির উপর বাঁশ ও খড় খুটো দিয়ে তৈরী করা একটি ছোট ঝুপড়ি ঘর বসবাস করে সলেমা বেগম।
আর্থিক সংকটের কারণে ঘরটি ঠিকমত মেরামত না করার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলে খড়ের চালা দিয়ে ঘরের ভিতর পানি পড়ে।
ছোট এই শয়ন ঘরেই রান্না করার জন্য একটি চুলাও।
সরকারি একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট এলাকাবাসী আবেদন জানিয়েছে।
সলেমা  বেগম বলেন, বৃদ্ধ বয়সের কারণে আমি ফুসফুসের সমস্যাসহ বিভিন্ন জটিলত অসুখে দীর্ঘ দিন  ভূগছি।
ঠিকমত ভিক্ষা করতে যেতে পারি না। খেয়ে না খেয়ে কোনো রকমে চলে আমার জীবন।
সারা দিন ভিক্ষা করে শান্তিতে একটু ঘুমাতেও পারিনা।
আর্থিক সংকটের কারণে ঝুপড়ি ঘরটি মেরামত করতে পারিনি। সামান্য বৃষ্টি হলে খড়ের চালা দিয়ে ঘরের ভেতর পানি পড়ে।
তখন অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিতে হয়। এই এলাকায় আমার মতো দুঃখী কেউ নেই।
তবুও আমি সরকারি একটি ঘর পেলাম না।
সলেমা বেগম যখন তার নিজের করুণ কষ্টের কথা বলছিলো তখন তাঁর দু-চোখ দিয়ে ঝরঝর করে পানি ঝরছিল।
বকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বর্ষা জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না, আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম।
ঐ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকে সাথে নিয়ে সলেমা বেগমের বাড়ি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নিব।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020-2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD